Posts

Showing posts from April, 2021
Image
 “প্লিজ তুমি আমাকে বিয়ে করো, নাহলে আমার বিষ খাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা।” সুন্দরী মেয়েটা ছেলেটার পায়ে ধরে বসে পড়লো মাটিতে- প্লিজ তুমি আমাকে বিয়ে করো, নাহলে আমার বিষ খাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা। সোহরাওয়ারদি উদ্যানের আপামর জনতা বসে বসে মজা লুটছিল। আর মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে মূর্ছা যাওয়ার দশা। ছেলেটাও দেখতে সিগারেট খোর ঠেকছে। পাবলিক ভাবছে- কোন কপালে এই সুন্দরী এই ছেলেকে ভালো বেসেছিল। যুগটাই আসলে এমন। ভালোবাসা নামক সম্পর্কগুলো এখন খুব সস্তা, যত্রতত্র প্রথম দেখা, মিষ্টি হাসি দেখেই ভালোবাসা তৈরি হয়। যদিও পরে মানসিকতার দ্বন্দ্ব, সামাজিক , পারিবারিক প্রেক্ষাপটের অশান্তি, অর্থনৈতিক সমস্যায় ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়। আর বিয়ের আগে সব উজাড় করে দেওয়া নারী সম্প্রদায় ও জানে না আদৌ সে ছেলেটির সাথেই সংসার পাততে পারবে কিনা, কিংবা এই ছেলেটাই পরে তাকে গ্রহন করবে কিনা। শুধু পার্কেই নয়, সুফিয়া কামাল হলের সামনেও উচ্চ শিক্ষিত মেয়েদেরও এই ধরনের অকাল কুষ্মাণ্ডদের সামনে দাড়িয়ে অরণ্যে রোদন করতে দেখেছি। অবাক লেগেছে। কিন্তু , বাস্তবতা এটাই যে, শিক্ষিত অশিক্ষিত সব নির্বিশেষে মেয়েরা এখনো এক যায়গায়ই দাড়িয়ে আছে। তা হ...

নার্সিং এ কেন পড়বেন ?

Image
  নার্সিং এ কেন পড়বেন ?    আপনারা জীবন ও জীবিকায় কেন বেঁছে নিবেন নার্সিং পেশাকে ? **** পদ মর্যাদায় আপনি হবেন 2nd class officer ৷ *** নার্সিং একটি চ্যালেনজীং পেশা যা থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা দ্বারা আপনি ব্যাক্তিগত ও সামাজিক জীবনে স্বাস্থ সেবায় রাখতে পারবেন উল্লেখযোগ্য অবদান ৷ ***নার্সিং পেশায় যেমন আপনি আয় করতে পারবেন তার পাশাপাশি রোগীদের মন থেকে সেবা করলেই সাথে সাথে আপনার আমলনাময় ডিপোজিট হিসেবে জমা হবে সওয়াব আর সওয়াব ৷ যার সঠিক, পুরষ্কার নিশ্চই আল্লাহ দান করবেন ! ***আর জীবনে মানুষের দোয়া অনেক বড় কিছু ৷ এই অসুস্থ অসহায় মানুষগুলির দোয়াই আপনাকে একদিন অনেক বড় মর্যাদার আসনে আসীন করবে ৷ *** যখন নার্সিং পড়াশোনা শেষ করবেন দেখবেন , আপনি দিব্যি চাকুরী করে মা-বাবার মুখে হাসি ফুটিয়েছেন ৷ অথচ আপনারই বন্ধুরা যারা জেনারেল এ পড়াশোনা করছেন দেখবেন তারা তখনও চাকুরী জন্য হন্যে হয়ে ছুটছে / টিউশনি করতেছেন ৷ আর এটা ওনাদেরও দোষ নয় কেবলই বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট আর কঠিন বাস্তবতা মাত্র ৷ ***বাংলাদেশেই আমার দেখা অনেক বাংলাদেশী নার্স আছেন যারা এক জায়গায় চাকুরী করেই আয় করছেন ২০-৮০ হাজার টাকা ৷ ...

মানুষ যে মাটি থেকে সৃষ্টি-এর প্রমাণ দেবেন কি?

Image
 মানুষ যে মাটি থেকে সৃষ্টি-এর প্রমাণ দেবেন কি? এটির আসল উত্তর ছিল: মানুষ যে মাটি থেকে সৃষ্টি এর প্রমাণ দিবেন কী? মাটি থেকে মানুষ সৃষ্টি।     কোরআনে, আল্লাহ প্রকাশ করেন যে মানুষের সৃষ্টি একটি অলৌকিক ঘটনা। প্রথম মানব সন্তান আল্লাহ মাটির মধ্যে তৈরি করেছিলেন, তারপর তিনি এই মাটির কাঠামোকে রুহ দান করেন। “আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি? আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আঠালো মাটি থেকে।“ [৩৭:১১] বিজ্ঞান থেকে যদি ব্যাখ্যা করা হয় -> আজ কখন মানুষের শরীর পরীক্ষা করা হয়, এইটি খুঁজে বার করা হয়ত যাবে যে পৃথিবীর মাটির অনেক উপাদান মানব শরীরে বর্তমান আছে। জীবিত পেশীতে প্রায় ৯৫% কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং সালফার সহ সব মিলিয়ে প্রায় ২৬ টি উপাদান পাওয়া যায়, কোরআনের অন্য একটি আয়াতে বলা হয়েছে: “আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি।“ [২৩:১২]. নিচে একটি ৭০ কেজি মানবদেহে প্রাপ্ত উপাদানের পরিমাণ দেয়া হল। উপাদান +সংকেত+ শতকরা-- অক্সিজেন O -৬৫.০-৪৩০০০ কার্বন C-১৮.৫-১২০০০ হাইড্রজেন H-৯.৫-৬৩০০ নাইট্রোজেন-N-৩.৩-২০০০ ক্যাল...
Image
  তুই একটা অপদার্থ , তোকে দিয়ে কিছুই হবে না- কথায় কথায় অনেক অভিভাবক বাচ্চাদের এভাবে বকেন। অনেকে তখন ধরে নেয়, ছেলেটা বুঝি আসলেই অপদার্থ। আচ্ছা রোজ সকালে সন্তানের স্কুলের ব্যাগ যেই বাবা মা টেনে দেয়, সন্তানকে স্বাবলম্বী হতে শেখায় না, লড়াই করতে শেখায় না, মূল্যবোধ শেখায় না, সেখানে তো এমনই হওয়ার কথা তাই না? চিকিৎসকরা বলে থাকেন, বাচ্চা যখন মাটিতে গড়াগড়ি খায়, এটা সেটা খায় তখন শরীরের ইমুনিটি গ্রো করে। ইন্টেস্টিনাল নরমাল ফ্লোরা শরীরে ঢুকায়। অথচ আজকাল বাচ্চাদের মাটির ছোঁয়া পেতেই দেয় না বাবা মায়েরা। ফলে বডি ইমুনিটি আসবে কীভাবে? আজকালকার অনেক বাবা-মায়েরা ভাবে, কমপ্ল্যান, বর্নভিটা, হরলিক্স দিয়া হাড্ডি মাংস সবল হবে। কিন্তু আসলে মিল্ক ইনজুরির শিকার হচ্ছে বাচ্চারা। থলথলে তুলার বস্তার মত বাচ্চা। না আছে শক্তি, না আছে সাহস। এদের কান্না থামাতে আমরা হাতে ধরিয়ে দেই মোবাইল-ট্যাব। এদের শৈশব-কৈশোরের লড়াই থাকেনা। এমনকি বড় হওয়ার পরেও দেখেন বাচ্চারা মেডিকেল বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাবে, বাবা-মা হাজির। আমরা আসলে এই বাচ্চাদের একা পথ চলতেও শেখাই না। কয়েক বছর আগে চিকিৎসক সাঈদ সুজনের এক...
Image
  অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা লিখেছেন... লকডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই । কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার । হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায় । কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌঁছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লকডাউন রাখা সম্ভব না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন । চীন, ইতালিতেও উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে লকডাউন । তবে আমরা কি এভাবেই মরব ? সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার । প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে । এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই । অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে । কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে । ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রূপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution. তো এগুলো বলার মানে কী ? এগুলো জেনে কী করব ? আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে । লড়াই করে টিকে থাকত...
Image
  #নার্সিং_ভর্তি_বিজ্ঞপ্তি - ২০২১ (যবিপ্রবি) দেশের প্রথম কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নার্সিং এ ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা থাকলে আবেদন করতে পারেন। #যশোর_বিজ্ঞান_ও_প্রযুক্তি_বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইন নার্সিং (অনার্স) এন্ড হেলথ সাইন্স বিভাগে আবেদন করার পূর্ব ধাপ হচ্ছে গুচ্ছ পদ্ধতি পরীক্ষায় আবেদন করতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে আবেদন করতে হবে সব যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে। গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে। তারপর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি দিলে সেখানে আবেদন করতে হবে। আবেদন শুরু: ১ এপ্রিল ২০২১ ইং আবেদন শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২১ ইং
Image
  What Is The Goal Of This Facebook Page? --------------------------------------- এই পেজের উদ্দ্যেশ্যে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে এবং তাদের সততা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নত ক্যারিয়ার গঠনে অনুপ্রেরণা ও পথনির্দেশিকা (গাইডলাইন) দেওয়া। একজন শিক্ষক হিসেবে এটি আমার দ্বায়িত্ব বলে মনে করি। এ পেজের কোন বাণিজ্যিক উদ্দ্যেশ্য নাই। একজন খ্যাতিমান ব্যক্তির বিখ্যাত উক্তি, “জীবনের ৫০% ঠিক হয় দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা, এবং বাকিটাও দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা। জীবনে সবচেয়ে বড় জিনিসটা হলো দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক করা, এটা হয় আপনার ভিতর ছাইচাপা আগুনকে আরো বাড়িয়ে দিয়ে আপনাকে উজ্জ্বল করবে নতুবা আপনার সকল স্বপ্নকে মাটি চাপা দিতে পারে।” উইন্সটন চার্চিল বলেছেন, “দৃষ্টিভঙ্গি জীবনে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে সক্ষম।” আমরা প্রতিনিয়ত যে কাজ করছি, তা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পরিচালিত। পরিবেশ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। মানুষ যা করে তা দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা তাড়িত হয়ে করে। সঠিক ও পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি পরিশ্রমে বাধ্য করে। ভারতের বিজ্ঞানী ও একাদশ রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালামের একটি উক্তি, "মানুষ তার ভবিষ্যত পর...
Image
  বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করার নূন্যতম যোগ্যতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় :     (মানবিক: ৪র্থ সহ-৭.০০), (ব্যবসায়: ৪র্থ সহ-৭.৫০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৮.০০)     জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় : (মানবিক: ৪র্থ সহ-৭.৫০), (ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৮.০০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৮.০০)   জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : (মানবিক: ৪র্থ সহ-৭.০০), (ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৮.৫০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৮.০০) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : (মানবিক: ৪র্থ সহ-৭.০০), (ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৭.৫০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৮.০০)     চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় :     (মানবিক: ৪র্থ সহ-৬.০০), (ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৭.০০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৬.৫০)     শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় :     (মানবিক: ৪র্থ সহ-৬.৫০), (ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৬.৫০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৭.০০)     খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : (মানবিক:৪র্থ বাদে-৭.৫০), (ব্যবসায়ে: ৪র্থ বাদে-৭.৫০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ বাদে-৭.০০) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় : (মানবিক: ৪র্থ সহ-৬.০০),(ব্যবসায়ে: ৪র্থ সহ-৬.৫০), (বিজ্ঞান: ৪র্থ সহ-৭.০০)   ইসল...

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে গুরত্বপুর্ণ কিছু তথ্য ও প্রশ্ন একসাথে জেনে নিন। নার্সিং ভর্তি ২০২০-২১

Image
 রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে গুরত্বপুর্ণ কিছু তথ্য ও প্রশ্ন একসাথে জেনে নিন। নার্সিং ভর্তি ২০২০-২১ প্রশ্ন ১: রোহিঙ্গা কারা? ➩ উত্তর: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি জাতিগোষ্ঠী। প্রশ্ন ২: আরাকানের প্রাচীন নাম কী-? ➩ উঃ রাখাইন। প্রশ্ন ৩: রাখাইন শব্দের অর্থ কী-?➩ উঃ রাক্ষসদের আবাসভূমি।(অস্ট্রিকদের রাক্ষস বলে চিহ্নিত করা হয়েছে)। প্রশ্ন ৪: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কবে বার্মা দখল করে-? ➩ উঃ ১৮২৪ সালে। প্রশ্ন ৫: কবে আরাকান রাজ্যর নাম পরিবর্তন করে “রাখাইন” নাম করণ করা হয়-? ➩ উঃ ১৯৮১। প্রশ্ন ৬: বিশ্বের রাষ্ট্রবিহীন সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রগোষ্ঠীর নাম কী-? ➩ উঃ রোহিঙ্গা। প্রশ্ন ৭: কতসালে প্রথম বাংলাদেশে রোহিঙ্গা আসা শুরু করে-? ➩ উঃ ১৯৭৮। প্রশ্ন ৮: অপারেশন নাগামিন/ কিং ড্রাগন পরিচালিত করে কারা-? ➩ উঃ মিয়ানমার সেনাবাহিনী। প্রশ্ন ৯: কবে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্য শরণার্থী প্রত্যর্পণ চুক্তি সাক্ষরিত হয়-? ➩ উঃ ৯ জুলাই ১৯৭৮। প্রশ্ন ১০: “অপারেশন পিয়ে থার” পরিচালিত করে কারা-? ➩ উঃ মিয়ানমার সরকার বাহিনী। প্রশ্ন ১১: কবে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্য সমঝোতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়-? ➩ উঃ ২৮ এপ্রিল ১৯৯২। প্রশ্ন ১২: কবে রোহিঙ্গা শ...