যে দেশে আত্মহত্যা বৈধ

 যে দেশে আত্মহত্যা বৈধ

১লা জানুয়ারী ২০১৯ থেকে হাওয়াই রাজ্য আত্মহত্যাকে বৈধতা দিয়েছে এই যন্ত্রের মাধ্যমে। বৈধকরণের মাধ্যমে, চিকিৎসকরা এখন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে মৃত্যুর পরামর্শ দিতে পারেন। হাওয়াইয়ের চিকিৎসা সরবরাহকারীদের সহায়তা করার জন্য,তারা ৩০ টি পড/মেশিন কিনেছে। যে সব রোগীরা তাদের জীবন শেষ করা প্রয়োজন বলে মনে করে সেসব রোগীদেরকে এই মেশিন ব্যবহার করার পরামর্শ দেন তারা।
প্রক্রিয়াটি যতটা সম্ভব শান্ত এবং ধীরস্থির ভাবে সম্পন্ন করার জন্য,রোগীরা পড এ প্রবেশ করে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজ ইচ্ছামত সিনেমা, টিভি-শো, বা সঙ্গীত শুনতে পারে।
পদ্ধতিটি শুরু করতে,রোগীকে অবশ্যই ৩০ সেকেন্ডের জন্য একটি বোতামে তাদের হাত চেপে ধরে রাখতে হয়। এটি সিস্টেমে নিশ্চিত করে যে তারা ভেতরে যেতে প্রস্তুত। এরপর পড এর দরজা লক করে গ্যাস এর মিশ্রণ ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। এই গ্যাসগুলি প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে ব্যক্তির মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে অচল করে দেয়। গ্যাসগুলির মিশ্রণ স্বাদ ও গন্ধহীন এবং রোগীকে অবিরাম ঘুমের মধ্যে ফেলে দেয়।
প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবার পর পড এর ভেতরের মেমব্রেন সরে গিয়ে একটি পাম্প এর সাহায্যে ভেতরের সমস্ত বায়ু টেনে বের করে দেয় সেই সাথে ব্যাক্তির দেহ ও সংকুচিত হয় এবং তার মৃত্যু ঘটায়।এরপর মৃত দেহকে বের করে ব্যক্তির ইচ্ছানুযায়ী নিষ্পত্তি করা হয়।
এরপর পড এ একটি নতুন মেমব্রেন ও গ্যাস ক্যানিস্টার্স ইনস্টল করে রাখা হয় পরবর্তী ব্যক্তির জন্য।
মোট প্রক্রিয়াটি এক ঘণ্টার মতো সময় নেয় এবং প্রতিটি পড একদিনে প্রায় দশজন ব্যাক্তির ব্যাবহারের জন্য উপযুক্ত। এই দ্রুত, কার্যকর পরিসেবা টি বেশিরভাগ লোককে খুব কম অপেক্ষা করায়।মানুষের যদি প্রয়োজন হয় তবে তারা আরো মেশিন অর্ডার দেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে।
এ পদ্ধতির প্রতি যারা আগ্রহী তাদেরকে প্রথমে মেডিকেল প্রোভাইডার এর সাথে কথা বলে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।

Comments

Popular posts from this blog

কোন কোচিংকত ভর্তি ফি কত

নিউরন নার্সিং কোচিং রাজশাহী তে ভর্তি চলছে

ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেও মেডিকেলে ভর্তি হতে পারবেনা প্রায় ৬৯ হাজার শিক্ষার্থী।কারণ সরকারি-বেসরকারি মেডিকেলে আসন রয়েছে ১০ হাজার ৭৮৯টি৷